নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক ||
শেরপুর সরকারি কলেজে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খাজা মো. জিয়াউল হক।
কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক অভিনন্দন বার্তায় বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০৮-১৬৩ নম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/বিভাগ/কোড-৫১০১/১৫৬৪৩ তালিকাভুক্তির সূত্রে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
এ অর্জনের পেছনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা এবং শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. হযরত আলীর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে অভিনন্দন বার্তায়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের আশা, নতুন বিষয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হওয়ায় শেরপুরের পাশাপাশি জামালপুর ও টাঙ্গাইলের পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবেন। এতে স্থানীয়ভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে।
জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. হযরত আলী বলেন, শেরপুর সরকারি কলেজে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ জেলার উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। স্থানীয়ভাবে স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে। বিশেষ করে জামালপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নতুন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে শেরপুর সরকারি কলেজের পাশে থেকে কাজ করতে চান। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, শিক্ষা জাতির উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। শেরপুর সরকারি কলেজে ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং ইংরেজি বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা করেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজ এলাকায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শেরপুরের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক অগ্রগতিতে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।